starbangla.tv l tv channel l News & Program
Welcome
Login / Register

ডাক্তার


  • কেন শরীরের পক্ষে বেশি ভাল লাল কলা?

    বাজারে কলা কিনতে গেলে এতদিন নিশ্চয়ই হলুদ কলাই কিনে এসেছেন। আবার সিঙ্গাপুরী কলা কিনলে সে কলা হয় সবুজ রংয়ের। কিন্তু কখনও লাল কলা কেনার কথা ভেবেছেন কী? লাল কলার যোগান স্থানীয় বাজারে অপ্রতুল হলেও মাঝে মধ্যে দু-একজন দোকানির কাছে দেখা মেলে বৈকি। কিন্তু অজ্ঞতার কারণেই হোক বা চেনা খাদ্যাভাসের বাইরে বেরতে না পারার জন্যই হোক, অনেক সময় আমরা লাল কলা এড়িয়েই চলি। কিন্তু জানেন কী লাল কলা স্বাস্থ্যের পক্ষে কতটা ভাল? শরীরে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বাড়ানো, এনার্জি লেভেল বাড়ানো, হজম শক্তি বাড়ানো থেকে শুরু করে দৃষ্টিশক্তি ভাল করার মতো কাজে ভাল ফল দেয় এই কলা।

    Read more »
  • ঋতু পরিবর্তনের সময় যেসব জুস খাবেন

    শীত আসতে শুরু করলে বাতাস ঠান্ডাও শুষ্ক হয়ে ওঠে। তাই এ সময়টাতে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর দিকে বেশি মনোযোগী হওয়া উচিত। ঠান্ডা লাগা বা সর্দি-কাশি ঠেকাতে কিছু প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে পারেন। এ সময় ফল ও সবজির জুস বানিয়ে খেলে প্রাকৃতিকভাবে শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা উন্নত করা যায়। এ ধরনের জুসে শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর হয়ে রক্তকোষে পুষ্টি জোগায়।

    বিশেষজ্ঞরা এ মৌসুমে শরীরের শক্তি জোগাতে দুই বা ততোধিক ফল বা সবজি মিশিয়ে জুস খাওয়ার পরামর্শ দেন। তবে জুস তৈরির আগে কোনটার সঙ্গে কোনটা মিলবে, এ বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। শীতের সময় যেসব জুস খেতে পারেন, এখানে তা দেওয়া হলো।

    ১. গাজর জুস

     

     

    গাজরে আছে প্রচুর ভিটামিন এ। এটি ত্বক ও শ্বাসনালির শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি ঠিক রাখতে সাহায্য করে। শরীরে ‘ফাইটার সেলস’ বা জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কোষ হিসেবে পরিচিত ‘টি সেল’ তৈরিতে ভূমিকা রাখে। এতে শরীরে কোনো সংক্রমণ হয় না।

    ২. কমলা ও আঙুরের জুস
    কমলা ও আঙুর ভিটামিন সি-এর অন্যতম উৎস। এতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে। শরীরে শ্বেতকণিকা ও অ্যান্টিবডি তৈরিতে ভূমিকা রাখে। নির্দিষ্ট রোগজীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে ভিটামিন সি। তবে যাঁরা কম চিনিতে আগ্রহী, তাঁরা আঙুরের জুস খেতে পারেন।

    ৩. টমেটো
    টমেটোতে ভিটামিন এ ও সি আছে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনে প্রকাশিত এক গবেষণা নিবন্ধে বলা হয়, যাঁরা টানা তিন সপ্তাহ টমেটোসমৃদ্ধ খাবার খান, তাঁদের রোগবালাই কিছুটা কমে।

    ৪. কুমড়ার জুস
    মিষ্টি কুমড়ায় আছে ভিটামিন এ। কুমড়ার বিচিও জুসের সঙ্গে মেশানো যায়। এতে আছে জিংক, ভিটামিন ই ও ভিটামিন বি৬। জিংক রোগ প্রতিরোধক কোষের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে এবং অ্যান্টিবডি তৈরি করে।

    ৫. পালং জুস
    পালংশাকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর শক্তি রয়েছে। এতে ভিটামিন বি৬ আছে, যা অ্যান্টিবডি তৈরি করে এ​বং শরীরকে রোগের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে।

    ৬. আদা
    আদায় রয়েছে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসরোধী গুণ। ফল বা সবজির জুসের মধ্যে আদা চিপে দিলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। সাধারণ সর্দি-কাশি বা শ্বাসতন্ত্রের ভাইরাস সমস্যা কাটাতে আদা কার্যকর। সূত্র: ইন্ডিয়া টাইমস

    Read more »
  • হার্ট, কিডনির যত্ন নেয় কালো আঙুর

    ছয় থেকে আট হাজার বছর আগে ইউরোপে প্রথম শুরু হয় কালো আঙুরের চাষ। আমাদের দেশে সবুজ আঙুরের চেয়ে কালো আঙুরের জনপ্রিয়তা তুলনামূলক কম হলেও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর এই আঙুর স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারি। শুধু হার্ট বা ত্বকই নয় দৃষ্টিশক্তি থেকে শুরু করে, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ এমনই বেশ কিছু শারীরিক সমস্যায় দারুণ কার্যকরী কালো আঙুর।

    হার্ট: মিসিগান ইউনিভার্সিটির একটি গবেষণা দেখা যায়, কালো আঙুর খেলে হৃদপিণ্ডে রক্ত চলাচল ভাল হয়। এর ফাইটোকেমিক্যাল হার্টের পেশীকে সুস্থ রাখে। পাশাপাশি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে।

    দৃষ্টিশক্তি: কালো আঙুরে বিদ্যমান লুটেন এবং জিয়াজ্যানথিন আমাদের দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে।

    ক্যানসার: কলোরাডো ইউনিভার্সিটির ক্যানসার সেন্টারের একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কালো আঙুর স্তন ক্যানসার প্রতিরোধে উল্ল্যেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।

    স্মৃতিশক্তি: মস্তিস্কের ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে কালো আঙুর। স্মৃতিশক্তি বাড়ায়, মাইগ্রেন, অ্যালঝাইমার্সের মতো রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা রয়েছে কালো আঙুরে।

    ডায়াবেটিস: ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে কালো আঙুর।

    চুল: কালো আঙুরের বীজ পেস্ট করে তার তেল দিয়ে চুলে মাসাজ করতে পারেন। এই তেলে থাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন ই। যা স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। চুল পরার সমস্যা কমায়। পাশাপাশি অকালপক্কতাও রোধ করে কালো আঙুর।

    রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: কালো আঙুর দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এতে থাকে ভিটামিন সি, কে এবং এ, যা দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়াও এই আঙুরের ফ্ল্যাবনয়েডস, খনিজ, অর্গ্যানিক অ্যাসিড কোষ্ঠকাঠিন্য এবং হজমের সমস্যা ও কিডনির বিভিন্ন সমস্যায় ভাল কাজ দেয়।

    ত্বক: ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর কালো আঙুর ত্বকে রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে। ফলে বলিরেখা, কালো ছোপ, শুষ্ক ত্বকের বিভিন্ন সমস্যায় কালো আঙুর খুবই উপকারি।

    Read more »
  • ওজন কমানোর পাঁচ উপায়

     

    জন বেড়ে যাওয়া নিয়ে অনেকেই সমস্যায় আছেন। কিভাবে ওজন কমাবেন এটা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগছেন। তবে একটু সচেতন হলে নিজে নিজেই কমানো সম্ভব অতিরিক্ত ওজন। আসুন জেনে নিই এমন পাঁচটি পদ্ধতি যাতে কমে যাবে আপনার ওজন।

    ১. খাওয়ার আগে পানি খান: বেশি খাওয়ার জন্য যাদের ওজন বেড়ে যাচ্ছে তাদের ক্ষেত্রে এটা দরকার। যখনই খেতে বসবেন, খাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি খেয়ে নিন। এতে আপনার বেশি খাওয়াটা কমবে।

    ২. আস্তে আস্তে খান: যাদের তাড়াতাড়ি খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে তারা অভ্যাস পাল্টানোর কথা ভাবুন। কারণ তাড়াতাড়ি খাওয়ার ফলে বাড়তি খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। এক্ষেত্রে একবার করে মুখে খাবার তোলার পর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে। এতে আপনার খাবারের পরিমাণ কমার সঙ্গে সঙ্গে ওজনও কমে যাবে।

    ৩. অন্যকে দিয়ে খান:  খাবার একা নয় বরং অন্যদের দিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করুন। যেকোনো ভালো খাবার খেতে হলে নিজে খান কিছুটা এবং কিছুটা অন্য কারও জন্য রেখে দিন।

    ৪. জাংক ফুড নয় ফলমূল খান: খুব সাবধান। জাংক ফুড আপনার ওজন বাড়িয়ে দেয়। আর এই কারণে অভ্যাসটি ত্যাগ করতে হবে। জাংক ফুডের বদলে খান টাটকা ফলমূল। এতে আপনার ওজন বাড়বে না।

    ৫. শরীর সচল রাখা: আপনি যদি নিজের শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান তাহলে শরীর সচল রাখতে হবে। সেইজন্য প্রতিদিন অন্তত আধ ঘণ্টা শারীরিক কসরত কিংবা জোরে হাঁটা অভ্যাস করুন।

    Read more »
  • কেমোথেরাপির চেয়ে ১০ হাজার গুণ শক্তিশালী?

    ক্যানসারের চিকিৎসায় কেমোথেরাপি অন্যতম। এই চিকিৎসা চলালে ক্যানসার রোগীর গায়ের সব লোম উঠে যায়। একই সঙ্গে শরীরও দুর্বল হয়ে যায়। জানেন কি, এমন গাছ আছে, যার ফল কেমোথেরাপির চেয়ে ১০ হাজার গুণ শক্তিশালী? অথচ কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই। ফলটির নাম করোসল (corossol)। করোসল অ্যানোনা মিউরিকাটা গোত্রের ক্যানসার প্রতিরোধক।

    নীলফামারির খড়িবাড়ি গ্রামে ফলন শুরু হয়েছে এই গাছের। বিভিন্ন দেশ ঘুরে চারা সংগ্রহ করে নিয়ে এসে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা তার বাগানে এই গাছ লাগান। সেই গাছে ফলও ধরেছে।

    ক্যানসার রোধে করোসলের উপকারিতা পৃথিবীর বহু দেশেই প্রমাণিত। এই ফলের অন্য নামগুলো হলো, গ্র্যাভিওলা, রসপ, গুয়ানাভা ও ব্রাজিলিয়ান পাও পাও।

    বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই ফলের এতটাই গুণ, এই ফল খেলে ক্যানসার রোগীর থেরাপির প্রয়োজন হয় না। শরীরও চাঙ্গা থাকে, দুর্বল ভাব আসে না। মূলত, আমাজন নদীর উপত্যকা দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোতে করোসল প্রচুর পরিমাণে জন্মায়। শুধু ফলই নয়, এই গাছের ছাল ও পাতায় লিভার সমস্যা, আর্থরাইটিস ও প্রস্টেটের সমস্যায়ও নিরাময় হয়ে যায়।

    করোসল গাছে রয়েছে অ্যানোনাসিয়াস অ্যাস্টোজেনিন নামে এক ধরনের যৌগ। এই যৌগ ক্যানসারের কোষের বৃদ্ধি রুখে দেয়, যা কেমোথেরাপি করে। ফলে ক্যানসার কোষ আর বাড়তে পারে না। 

    Read more »
RSS
উপদেষ্টা : এডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন
কৃষিবিদ এম. সগিরুল ইসলাম মজুমদার ( জাপান)
প্রধান সস্পাদক: ডা: এম এ মতিন,
সম্পাদক: মো: জিয়াউল ইসলাম
সহ-সম্পাদক: নেছার উদ্দিন মজুমদার
অফিস: ৩৫ পুরানা পল্টন লাইন নীচতলা, ভি আই পি রোড ঢাকা-১০০০
ফোন: ০১৭২৭৯৩২৬৫২, ৯৩৫৪৯৯
জাপান ডেক্স +৮১৯০৬৮৬৩৪৭৩৩২
ইমেইল: videostarbanglatv@gmail.com