starbangla.tv l tv channel l News & Program
Welcome
Login / Register

ডাক্তার


  • দৈনিক কয় পদের ফল-সবজি খাবেন?

    মানসিক চাপের ঝুঁকি এড়াতে বেশি করে ফল ও সবজি খাওয়ার পরামর্শ দেন গবেষকেরা। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার গবেষকেদের করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, নারীদের ক্ষেত্রে মানসিক চাপ কমাতে নিয়মিত ফল ও সবজি খাওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।

    ফল ও সবজির নানাবিধ স্বাস্থ্যগুণ রয়েছে। পুষ্টিবিদ, ডায়েট বিশেষজ্ঞরা আবারও নতুন করে নিত্যদিনের খাবারের সঙ্গে সবজি ও ফল যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

    গবেষেকরা বলছেন, দৈনিক পাঁচ থেকে সাত রকম ফল ও সবজি খাবারে যুক্ত করলে মানসিক চাপ ২৩ শতাংশ পর্যন্ত কমে। গবেষণায় দেখে গেছে, যাঁরা দিনে তিন বা চার পদের সবজি দৈনিক খান তাঁদের মানসিক চাপের ঝুঁকি ১৮ শতাংশ কম থাকে। সে তুলনায় যাঁরা দিনে দুই রকম ফল খান তাঁদের ঝুঁকি ১৬ শতাংশ কম থাকে।

    অস্ট্রেলিয়ার সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক বিন নুয়েন এ-সংক্রান্ত গবেষণা নিবন্ধ লিখেছেন। যুক্তরাজ্যের চিকিৎসা সাময়িকী ‘ওপেন’-এ গবেষণাসংক্রান্ত নিবন্ধটি প্রকাশিত হয়েছে।

    বিন নুয়েন বলেছেন, পুরুষের তুলনায় নারীদের ক্ষেত্রে ফল ও সবজি বেশি সুরক্ষা দিতে পারে। তাই তাঁর প্রস্তাব, নারীরা ফল ও সবজি থেকে বাড়তি সুবিধা নিতে পারেন।

    অবশ্য, শুধু ফল খাওয়ার সঙ্গে মানসিক চাপ কমার তেমন গুরুত্বপূর্ণ কোনো সম্পর্ক খুঁজে পাননি গবেষকেরা।

    গবেষণা নিবন্ধে বলা হয়েছে, নারী ও পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই দিনে তিন-চার রকম সবজি খেলে মানসিক চাপ ১২ শতাংশ কমে। যদি সবজি ও ফল মিলে পাঁচ থেকে সাত পদ হয় তবে মানসিক চাপের ঝুঁকি ১৪ শতাংশ পর্যন্ত কমতে দেখা যায়।

    এ গবেষণার জন্য ৪৫-ঊর্ধ্ব ৬০ হাজার অস্ট্রেলিয়ান নাগরিকের ফল ও সবজি খাওয়ার হার, জীবনযাপনের অন্যান্য অনুষঙ্গ ও মানসিক চাপের বিষয়টি বিবেচনা করা হয়েছে। তথ্যসূত্র: আইএএনএস, জিনিউজ।

    Read more »
  • আধসিদ্ধ চিকেন খেলে আক্রান্ত হতে পারেন প্যারালিসিসে! বলছে গবেষণা

    চিকেন খেতে কে না ভালবাসে। এমন সহজপাচ্য, সুস্বাদু অথচ সহজে রান্না হয়ে যাওয়া মাংস আর কিছু রয়েছে কি? সে কারণেই এত জনপ্রিয় চিকেন। তবে সহজে রান্না হয়ে গেলেও চিকেন সিদ্ধ করার সময় অতিরিক্ত সতর্কতা প্রয়োজন। কারণ গবেষকরা জানাচ্ছেন, আধসিদ্ধ চিকেনে থাকা ব্যাকটেরিয়া শরীরে গেলে তা থেকে প্যারালিসিস পর্যন্ত হতে পারে!

    নিয়মিত আধসিদ্ধ চিকেন খেলে এই ধরনের ব্যাকটেরিয়া থেকে হওয়া গালিয়ান বারে সিন্ড্রোম থেকে অ্যাকিউট নিউরোমাসকুলার প্যারালিসিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।  চিকেন সহজলভ্য, সহজপাচ্য, ওজন কমাতে সাহায্যকারী, স্বাস্থ্যকর হওয়ার কারণে সারা বিশ্বেই চিকেন খাওয়ার চল যেমন বেশি, তেমনই জনপ্রিয়তাও বেশি। আর তাতেই ক্রমশই বাড়ছে এই রোগের প্রকোপ।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির কলেজ অব ভেটেরিনারি মেডিসিনের গবেষক লিন্ডা ম্যানসিফিল্ড জানাচ্ছেন,  চিকেন যদি চ়ড়া আঁচে ভাল করে সিদ্ধ না করা হয় তা হলে তাতে ক্যাম্পিলোব্যাকটর জেজুনি ব্যাকটেরিয়া থেকে যেতে পারে। এই মুহূর্তে গালিয়ান বারে সিন্ড্রোম বা জিবিএস সারা  বিশ্বে চিকিত্সকদের কাছে অন্যতম চিন্তার বিষয়। 

    Read more »
  • জন্মনিয়ন্ত্রণের পছন্দসই পদ্ধতি কোনটি

    কেউ সদ্য বিয়ে করেছেন, একটু দেরিতে সন্তান নেবেন। কারও আবার একটি সন্তান আছে, পরের সন্তান নেওয়ার আগে কয়েক বছরের বিরতি চান। কেউ হয়তো ইতিমধ্যে দুই সন্তানের বাবা-মা, তাই জন্মনিয়ন্ত্রণে স্থায়ী কোনো পদ্ধতিতে যেতে চান। কেউ চান প্রসব-পরবর্তী সময়ের জন্য জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি, কেউ আবার চান গর্ভপাত-পরবর্তী সময়ে।

     

     

    জন্মনিয়ন্ত্রণের নানা রকমের পদ্ধতি আছে। তবে একেক দম্পতির জন্য একেক রকম পদ্ধতি ভালো। সবার চাহিদার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিশেষ পরামর্শ বা কাউন্সেলিং, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা এবং সঠিক পরিবার পরিকল্পনাসেবার দরকার হয়। সবার জন্য একই পদ্ধতি কখনো প্রযোজ্য হতে পারে না। জেনে নিন এ বিষয়ে:

    * নবদম্পতি, অর্থাৎ অল্পবয়সী দম্পতির জন্য শারীরিক পরিবর্তন, গর্ভধারণ, যৌনসংক্রমণ প্রভৃতি বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে তিন বছর বা পাঁচ বছর মেয়াদি জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ‘ইমপ্ল্যান্ট’ উপযুক্ত পদ্ধতি হিসেবে স্বীকৃত। এ ছাড়া জন্মনিয়ন্ত্রণের বড়ি, কনডম প্রভৃতি সহজলভ্য ও সমাদৃত।

    * পঁয়ত্রিশোর্ধ্ব নারীদের পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতির বিশেষ চাহিদা রয়েছে; তাঁদের বেশির ভাগেরই অন্তত দুটি সন্তান রয়েছে এবং আর সন্তান নিতে চান না। অনেকে মনে করেন, আর পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। কিংবা এ বয়সে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি বা অন্য পদ্ধতির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে চিন্তিত হন। আসলে একজন সুস্থ মধ্যবয়সী নারীর জন্য সব পদ্ধতিই নিরাপদ। তবে বয়স্ক নারীদের, যাঁদের হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বেশি অথবা উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে, তাঁদের পিল বা বড়ি এবং ইনজেকশন ব্যবহার করা উচিত নয়। তাঁদের জন্য কপার-টি এবং স্থায়ী পদ্ধতিই বেশি উপযোগী।

    * কমবয়সী নারী-পুরুষের স্থায়ী পদ্ধতি, অর্থাৎ নারীর ক্ষেত্রে লাইগেশন এবং পুরুষের ভ্যাসেকটমি পদ্ধতি গ্রহণে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

    * যাঁদের একটি সন্তান আছে কিন্তু পরবর্তী সন্তানের জন্মের আগে কিছুটা সময় চান (বার্থ স্পেসিং), তাঁদের জন্য তিন মাস মেয়াদি হরমোনাল ইনজেকশন, তিন বছর মেয়াদি ইমপ্ল্যান্ট, পাঁচ বছর মেয়াদি জেডেল কিংবা মুখে খাওয়ার বড়িও বেশ স্বীকৃত ও সহজলভ্য। একটি সন্তান জন্মের পর নন-হরমোনাল কপার-টিও হতে পারে জন্মনিয়ন্ত্রণের একটি ভালো ব্যবস্থা।

    তাই যার যার অবস্থা বুঝে জুতসই একটি পদ্ধতি বেছে নিন। প্রয়োজনে চিকিৎসক বা স্বাস্থ্য সেবাদানকারীর পরামর্শ নিন।

    ডা. ফাহমিদা তুলি : স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিভাগ,  ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

    Read more »
  • কেন শরীরের পক্ষে বেশি ভাল লাল কলা?

    বাজারে কলা কিনতে গেলে এতদিন নিশ্চয়ই হলুদ কলাই কিনে এসেছেন। আবার সিঙ্গাপুরী কলা কিনলে সে কলা হয় সবুজ রংয়ের। কিন্তু কখনও লাল কলা কেনার কথা ভেবেছেন কী? লাল কলার যোগান স্থানীয় বাজারে অপ্রতুল হলেও মাঝে মধ্যে দু-একজন দোকানির কাছে দেখা মেলে বৈকি। কিন্তু অজ্ঞতার কারণেই হোক বা চেনা খাদ্যাভাসের বাইরে বেরতে না পারার জন্যই হোক, অনেক সময় আমরা লাল কলা এড়িয়েই চলি। কিন্তু জানেন কী লাল কলা স্বাস্থ্যের পক্ষে কতটা ভাল? শরীরে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বাড়ানো, এনার্জি লেভেল বাড়ানো, হজম শক্তি বাড়ানো থেকে শুরু করে দৃষ্টিশক্তি ভাল করার মতো কাজে ভাল ফল দেয় এই কলা।

    Read more »
  • ঋতু পরিবর্তনের সময় যেসব জুস খাবেন

    শীত আসতে শুরু করলে বাতাস ঠান্ডাও শুষ্ক হয়ে ওঠে। তাই এ সময়টাতে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর দিকে বেশি মনোযোগী হওয়া উচিত। ঠান্ডা লাগা বা সর্দি-কাশি ঠেকাতে কিছু প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে পারেন। এ সময় ফল ও সবজির জুস বানিয়ে খেলে প্রাকৃতিকভাবে শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা উন্নত করা যায়। এ ধরনের জুসে শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর হয়ে রক্তকোষে পুষ্টি জোগায়।

    বিশেষজ্ঞরা এ মৌসুমে শরীরের শক্তি জোগাতে দুই বা ততোধিক ফল বা সবজি মিশিয়ে জুস খাওয়ার পরামর্শ দেন। তবে জুস তৈরির আগে কোনটার সঙ্গে কোনটা মিলবে, এ বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। শীতের সময় যেসব জুস খেতে পারেন, এখানে তা দেওয়া হলো।

    ১. গাজর জুস

     

     

    গাজরে আছে প্রচুর ভিটামিন এ। এটি ত্বক ও শ্বাসনালির শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি ঠিক রাখতে সাহায্য করে। শরীরে ‘ফাইটার সেলস’ বা জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কোষ হিসেবে পরিচিত ‘টি সেল’ তৈরিতে ভূমিকা রাখে। এতে শরীরে কোনো সংক্রমণ হয় না।

    ২. কমলা ও আঙুরের জুস
    কমলা ও আঙুর ভিটামিন সি-এর অন্যতম উৎস। এতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে। শরীরে শ্বেতকণিকা ও অ্যান্টিবডি তৈরিতে ভূমিকা রাখে। নির্দিষ্ট রোগজীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে ভিটামিন সি। তবে যাঁরা কম চিনিতে আগ্রহী, তাঁরা আঙুরের জুস খেতে পারেন।

    ৩. টমেটো
    টমেটোতে ভিটামিন এ ও সি আছে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনে প্রকাশিত এক গবেষণা নিবন্ধে বলা হয়, যাঁরা টানা তিন সপ্তাহ টমেটোসমৃদ্ধ খাবার খান, তাঁদের রোগবালাই কিছুটা কমে।

    ৪. কুমড়ার জুস
    মিষ্টি কুমড়ায় আছে ভিটামিন এ। কুমড়ার বিচিও জুসের সঙ্গে মেশানো যায়। এতে আছে জিংক, ভিটামিন ই ও ভিটামিন বি৬। জিংক রোগ প্রতিরোধক কোষের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে এবং অ্যান্টিবডি তৈরি করে।

    ৫. পালং জুস
    পালংশাকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর শক্তি রয়েছে। এতে ভিটামিন বি৬ আছে, যা অ্যান্টিবডি তৈরি করে এ​বং শরীরকে রোগের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে।

    ৬. আদা
    আদায় রয়েছে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসরোধী গুণ। ফল বা সবজির জুসের মধ্যে আদা চিপে দিলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। সাধারণ সর্দি-কাশি বা শ্বাসতন্ত্রের ভাইরাস সমস্যা কাটাতে আদা কার্যকর। সূত্র: ইন্ডিয়া টাইমস

    Read more »
RSS