starbangla.tv l tv channel l News & Program
Welcome
Login / Register

লাইফস্টাইল- ফিচার


  • গরমের আগে ত্বকের যত্নে

    শীত বিদায় নিয়েছে। আবহাওয়ার বুঝে চলার দিন শুরু। তাই গ্রীষ্ম আসার আগেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করুন। ত্বকের যত্নে এ সময়ে যেসব দিক খেয়াল রাখতে পারেন তার একটা তালিকা থাকছে এখানে।

    ১. গরমের সময়ে অপেক্ষাকৃত পাতলা ও আরামদায়ক পোশাক পরেন অধিকাংশ মানুষ। তাই এই সময়ে শীতের তুলনায় শরীরের অনেকটাই খোলামেলা থাকে। ফলে ত্বকে যদি কোনো দাগ থাকে সেটা দেখতে ভালো লাগবে না। ফলে দাগ তোলার ভালো মানের ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। বেশি বেশি ভিটামিন ‘সি’ শরীরের জন্য বেশি দরকারি গরমে। তাই খাওয়া ছাড়াও ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করলে ত্বকের উজ্জ্বলতা গরমেও ঠিক থাকবে।
    ২. শীতে অনেকের শরীরের মরা চামড়া ওঠে। তাই ত্বকে খসখসে ভাব দেখা দিতে পারে। মরা চামড়ার নিচে থাকা ত্বককে স্বাভাবিক ও কোমল রাখতে একটা স্ক্র্যাব করে নিতে পারেন। স্ক্র্যাব করার পর ত্বকে অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।
    ৩. বেশি করে পানি খান। কারণ, গরমে ঘেমে যাওয়ার ফলে আপনার শরীর থেকে অনেক পানি বেরিয়ে যাবে। তাজা ফলের রস ও পানি পান করলে আপনার ত্বক ভালো থাকবে।
    ৪. রোদে ত্বকে কালচে ভাব আসতে পারে। তাই ঘরের বাইরে যাওয়ার আগে সানস্ক্রিন মেখে নিন। প্রয়োজনে ব্যাগে একটা সানস্ক্রিন রেখে দিন।
    ৫. এ সময়ে একটা ফেসিয়াল করে নিন। ফেসিয়াল করার ফলে আপনার ত্বকের ব্ল্যাকহেডস, ব্রণ বা চোখের পাশে থাকা কালো দাগ সহজেই দূর করা যাবে।
    ৬. আপনার পায়ের বারোটা বাজিয়ে দিতে পারে ধুলাবালি আর ময়লা। তাই পায়ে একটা পেডিকিওর করে নিন। তাহলে ফ্যাশনেবল দুই ফিতার স্যান্ডেল পরতে বা নেইল পলিশের ব্যবহারে সুবিধা হবে।
    ৭. ‘আপডেট’ করে নিন আপনার প্রসাধনী পণ্যগুলো। শীতে যেসব পণ্য ব্যবহার করেছেন গরমে তার অনেকগুলো অকেজো। তাই সাজের ব্যাগটা গরম উপযোগী প্রসাধনী দিয়ে সাজিয়ে নিন।

    Read more »
  • পাঁচ সপ্তাহে চার কেজি ওজন কমানোর ঘরোয়া দাওয়াই

    নিজের ক্রমবর্ধমান ওজন নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন? ভেবে পাচ্ছেন না কী করবেন? চিন্তা দূর করে এই লেখাটি পড়ে ফেলুন। এই লেখায় এমন একটি ঘরোয়া ওষুধ নিয়ে আলোচনা করা হল যা দ্রুত ওজন কমাতে আপানকে সাহায্য করতে পারে। ওজন কমানো হল সব থেকে কঠিন কাজ।

    বেশি করে যারা খেতে ভালোবাসেন তাদের ক্ষেত্রে তো কাজটা আরও কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু ওজন কমানোটা খুবই জরুরি। না হলে যে শরীরে একের পর এক বাসা বাঁধতে শুরু করে নানা মারণ রোগ। তাই এখনই সাবধান হতে হবে। নচেৎ কিন্তু বিপদ!

    প্রথমেই যে কাজটি করতে হবে তা হল খাওয়া-দাওয়াকে নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে। রোজকার ডায়েট থেকে বাদ দিতে হবে ভাজাপোড়া এবং লাল মাংসকে। সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করে দেখতে হবে কোনো রোগের কারণে ওজন বাড়ছে কিনা। আর যদি দেখেন কোনও রোগ নয়, অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য মেদবহুল হয়ে পড়ছেন, তাহলে এই ঘরোয়া ওষুধটি আজ থেকেই খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন ফল পাবেন একেবারে হাতে-নাতে।

    ওষুধটি বানাতে প্রয়োজন পড়বে:
    ১. লাউয়ের রস- হাফ কাপ
    ২. গোলমরিচ- ১ চামচ

    এই ঘরোয়া ওষুধটি নিমেষে ওজন কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। তবে প্রতিদিন নিয়ম করে এই ওষুধটি খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিয়ন্ত্রিত আহার এবং শরীরচর্চা করলে দারুন ফল পাবেন, দেখবেন কেমন ঝটপট আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে এসে যাবে। প্রসঙ্গত, লাউয়ের রসে ভিটামিন-সি এবং ফাইবার রয়েছে, যা হজম ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে গৃহীত খাবার চর্বিতে রূপান্তরিত হওয়ার সুযোগই পায় না।

    অপরদিকে গোলমরিচে কেপসাইসলিন নামক একটি উপাদান রয়েছে, যা চর্বি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

    কীভাবে বানাবেন এই ওষুধটি?
    ১. একটা কাপে পরিমাণ মতো উপকরণগুলি নিন। 
    ২. ভাল করে মেশান উপকরণ দুটি। 
    ৩. আপনার ওষুধটি তৈরি খাওয়ার জন্য়। 
    ৪. প্রতিদিন সকালের নাশতার পর এই ওষুধটি ৩৫ দিন খেলেই দেখবেন কেমন বদলে যায় আপনার অবয়ব।

    Read more »
  • ভুলেও ফেলে দেবেন না সিলিকা জেল

    সিলিকা (আগ্নেয় ধাতব পদার্থ বিশেষ) সর্বসাধারণের কাছে খুব বেশি পরিচিত না। তবে সিলিকার তৈরি ব্যাগ সম্বন্ধে কম-বেশি সবাই জানে। যেকোনো পণ্য কেনার পর দেখবেন এর মধ্যে ছোট একটি ব্যাগ আছে। কেনার সঙ্গে সঙ্গে আমরা ব্যাগটি ফেলে দেই।

    অথচ ওই ছোট্ট সিলিকা ব্যাগটি আপনার পছন্দের পণ্যটিকে নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করে। কারণ এটি বাতাসের আর্দ্রতা শোষণ করে। আর এই ব্যাগের ওপর বড় করে লেখা থাকে ‘ডু নট ইট’ অর্থ্যাৎ ‘দয়া করে খাবেন না’। এখন থেকে কোনো পণ্যের মধ্যে এই ব্যাগ পেলে ভুলেও ফেলে দেবেন না।

    কারণ সিলিকা ব্যাগ দৈনন্দিন জীবনে আরো অনেক কাজে ব্যবহৃত হয়, যার একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে ব্রিটিশ দৈনিক দ্য ইনডিপেনডেন্টে। আপনি চাইলে এই পরামর্শগুলো একবার দেখে নিতে পারেন-

    * পানিতে ফোন পড়ে গেলে সেটা আর ফিরে পাওয়ার কোনো আশাই থাকে না। কিন্তু সিলিকা ব্যাগ সে আশা জিইয়ে রাখে। একটি বাটির মধ্যে অনেকগুলো সিলিকা ব্যাগ রেখে এর মধ্যে পানিতে ভেজা ফোনটি রেখে দিন। দেখবেন, ফোনের সব পানি শুকিয়ে যাবে এবং ফোনটি নষ্ট হওয়া থেকে বেঁচে যাবে।

    * পাউডার ধরনের মেকআপের (কমপ্যাক্ট পাউডার, আইশ্যাডো, ফেস পাউডার) মধ্যে একটা-দুইটা সিলিকা ব্যাগ রেখে দিন। এতে এগুলো বহুদিন ভালো থাকবে।

    * অনেক সময় বৃষ্টিতে ভেজার পর ছাতা ব্যাগে রাখা সম্ভব হয় না। আবার বাইরে রাখলে হারিয়ে যাওয়ার ভয় থাকে। এ ক্ষেত্রে ছাতার প্যাকেটের মধ্যে কয়েকটি সিলিকা ব্যাগ রেখে ছাতাটা ঢুকিয়ে রাখুন। দেখবেন, খুব কম সময়ের মধ্যে ছাতাটা শুকিয়ে যাবে।

    * ভেজা জুতাকে দ্রুত শুকিয়ে ফেলে সিলিকা ব্যাগ। এমনকি জুতার স্যাঁতস্যাতে ভাবও দূর হয় সহজেই।

    * স্টিলের কাটলারি সেট খুব পরিষ্কার করে সিলিকা ব্যাগ। এই ব্যাগ দিয়ে পরিষ্কার করলে কাটলারি সেটে মরিচা ধরে না।

    অনেকদিন ব্যবহারের পর তোয়ালে যখন তুলে রাখবেন তখন এর ভাজে ভাজে সিলিকা ব্যাগ দিয়ে রাখবেন। কয়েকদিন পর দেখবেন এটি নতুনের মতোই সতেজ রয়েছে।

    * জিমে গেলে ঘামের কারণে পোশাক ভিজে যায়। এগুলো যখন ব্যাগে করে আনা হয় তখন গন্ধ হয়ে যায়। জিমের এই ব্যাগে কয়েকটি সিলিকা ব্যাগ ছড়িয়ে রাখুন। ভেজা পোশাকে আর গন্ধ হবে না।

    * পুরোনো ছবিগুলো নষ্ট হওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে চাইলে ছবির ভাজে ভাজে সিলিকা ব্যাগ রেখে দিন। এভাবে দীর্ঘদিন ছবি ভালো থাকবে।

    * গয়না ভালো রাখতে চাইলে গয়নার বাক্সের মধ্যে কয়েকটি সিলিকা ব্যাগ ছড়িয়ে রাখুন।

    Read more »
  • রাতে ঘুমানোর আগে ১০ মিনিট

    সারা দিন ধরে টইটই করে ঘোরা বা কর্মক্ষেত্রে ব্যস্ততা। হয়তোবা এর কোনোটাই আপনার দিনলিপির সঙ্গে মেলে না। সারা দিন বাড়ির কাজে বাড়ির মধ্যেই থাকতে হয়। সারা দিনের কাজের তালিকা যেটাই হোক না কেন, রাতে ঘুমানোর আগে নিয়ম করে কিছু বিষয় মেনে চলা ভালো। এতে ঘুমটাও ভালো হবে, সতেজ মনে শুরু করতে পারবেন দিনটা। চেষ্টা করুন নিজের জন্য ঘুমের আগে ১০ মিনিট সময় ব্যয় করার।

    মুখে মেকআপ থাকুক বা না-ই থাকুক, রাতে ঘুমানোর আগে মুখ পরিষ্কার করা বাধ্যতামূলক। এমনটাই মনে করেন রূপবিশেষজ্ঞ আফরোজা পারভীন। এরপর ত্বক অনুযায়ী ক্রিম লাগান। তবে ত্বক তৈলাক্ত হলে ক্রিম লাগানোর দরকার নেই। হাত-পা ধোয়ার সময় সম্ভব হলে নরম ব্রাশ দিয়ে ত্বক ঘষে নিন। ময়লা উঠে আসবে ভেতর থেকে। মরা চামড়াও উঠে যাবে। হাতে-পায়ে জলপাই তেল বা পেট্রোলিয়াম জেলি লাগান। ত্বক নরম থাকবে। ঘুমানোর আগে পরিষ্কার ঘুমের কাপড় পরে নিন। দাঁত ব্রাশ করাও আবশ্যক। সম্ভব হলে গোসল করে নিন। এতে আপনার মস্তিষ্ক খবর পেয়ে যায়, আপনি ঘুমানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

    চুল আঁচড়ানোর সময় উল্টো করে মাথা নামিয়ে আঁচড়ান। এতে মাথার রক্ত সঞ্চালন ও ঘুম দুটোই ভালো হয়। খুব আঁটসাঁট করে চুল না বেঁধে হালকা করে বাঁধার পরামর্শ দিলেন আফরোজা পারভীন। চাইলে নরম কাপড় দিয়ে পেঁচিয়েও রাখতে পারেন। চুল খোলা রেখে ঘুমানোর অভ্যাস থাকলে সিল্কের বালিশের কভার ব্যবহার করুন।

    পরের দিনের জন্য সবকিছু গুছিয়ে রাখুন। সকালের তাড়াহুড়ো অনেকখানি কমে যাবে। কাপড় ইস্তিরি করে রাখা। সম্ভব হলে নাশতা আগের রাতেই তৈরি করে ফেলা। ব্যাগ গুছিয়ে রাখার মতো টুকটাক কাজগুলো করে ফেলাই ভালো।

    ঘুমানোর অন্তত ঘণ্টা খানেক আগে ডিজিটাল দুনিয়া থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। বই পড়ুন, প্রিয়জনদের সঙ্গে গল্প করুন। রাগ করেও ঘুমানো উচিত নয়। মনের ওপর চাপ ঘুমের মধ্যেও শান্তি দেয় না।

    ঘুম একদম না এলে মেডিটেশন অথবা হালকা ব্যায়াম করতে পারেন। 
    ঘরের মধ্যে কড়া আলো বন্ধ করে দিন। টেবিল ল্যাম্প বা অল্প আলো জ্বেলে রাখতে পারেন।

    দিনের মধ্যে ভালো ঘটনাগুলো নিয়ে ভাবার চেষ্টা করুন। খিদে পেলে ভারী কিছু না খাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। হালকা স্বাস্থ্যকার কিছু খেয়ে নিন।

    Read more »
  • আয়ু বাড়ানোর সহজ তিন উপায়!

    সুন্দর এই পৃথিবীতে সুস্থ-সবলভাবে বেশি দিন বেঁচে থাকতে কে না চান? সবাই জানেন সুস্থ জীবনযাপন বিশেষ করে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, দৈনিক শারীরিক ব্যায়াম ও মনোচাপ থেকে মুক্তিতে আয়ু বাড়ে। এর বাইরে আরও কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস আছে যার মাধ্যমে খুব সহজে স্বাস্থ্য ভালো রাখা যায়। সুস্থ থাকতে ও দীর্ঘায়ু পেতে এসব নিয়ম সহজে আপনার অভ্যাসের সঙ্গে মানিয়ে যেতে পারে। এ রকম তিনটি উপায়ের কথা জেনে নিন:

    একটু বেশি হাসুন
    হাসি আপনার আয়ু বাড়াতে পারে। বিভিন্ন গবেষণায় এর প্রমাণ পাওয়া গেছে। গবেষকেরা বলেন, হাসিতে মানুষ দীর্ঘায়ু পায়। হাসলে এনডরফিনস ও সেরোটোনিনের মতো সুখ হরমোন নিঃসৃত হয়, যা প্রদাহ ও ব্যথা ভুলিয়ে দেয় প্রাকৃতিকভাবেই। শুধু তা-ই নয়, হাসি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। শক্তিশালী করে দেহের ক্ষমতাকে।

    নিজের জন্য কিছুটা সময় দিন
    স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য নিজেকে একটু দম দেওয়া উচিত। কর্মব্যস্ত জীবন থেকে কিছুটা ছুটি নিতে পারেন এবং কিছুটা মুহূর্ত নিজের সঙ্গে কাটান। মস্তিষ্কের সব চিন্তা ঝেড়ে ফেলে আবেগ দূর করুন। এতে চিন্তা ও চাপমুক্তি হবে। এতে হৃৎস্পন্দন কিছুটা কমবে এবং মনোযোগ বাড়বে।

    প্রকৃতির সংস্পর্শে যান
    মনের চাপ কমাতে কিছুটা সময় প্রকৃতির সান্নিধ্যে কাটান। এতে রক্তচাপ কমবে ও মন ভালো হবে। বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, প্রকৃতির মধ্যে কিছুক্ষণ হেঁটে বেড়ালে মানসিক অবস্থার উন্নতি হয়। বিষণ্নতা দূর করতে, সিজোফ্রেনিয়ার মতো সমস্যা দূর করতেও প্রকৃতির সান্নিধ্য কাজে লাগবে। তথ্যসূত্র: জিনিউজ।

    Read more »
RSS