starbangla.tv l tv channel l News & Program
Welcome
Login / Register

আন্তর্জাতিক


  • তাজমহলের পাশে জোড়া বিস্ফোরণ

    মাত্র দুদিন আগে ভারতের উত্তরপ্রদেশের আগ্রায় অবস্থিত বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ মোগল স্থাপত্য তাজমহলে হামলার হুমকি দিয়েছিল জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)। এর পরিপ্রেক্ষিতে জোরদার করা হয়েছিল তাজমহলসহ পুরো আগ্রা শহরের নিরাপত্তাব্যবস্থা।

    কিন্তু এর মাঝেই জোড়া বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল ঐতিহ্যের এই শহর। স্থানীয় সময় আজ শনিবার সকালে তাজমহলের খুব কাছে আগ্রা ক্যান্টনমেন্ট রেলস্টেশনে এই বোমা হামলা হয়। তবে হামলায় হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

    আগ্রা পুলিশের কর্মকর্তা হরিশ সিন্ধে জানান, বেলা সাড়ে ১১টায় আগ্রা স্টেশনের পাশের ডাস্টবিনে প্রথম বোমাটি বিস্ফোরিত হয়। এর কয়েক মিনিট পর স্টেশনের লাগোয়া একটি বাড়ির পাশের বাগানে আরেকটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটে। হরিশ জানান, বিস্ফোরণের তীব্রতা কম থাকায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

    হরিশ সিন্ধে আরো জানান, আইএসের হুমকির পর উত্তরপ্রদেশ পুলিশ পুরো আগ্রায় নিরাপত্তা জোরদার করেছিল। এর মধ্যেই এই বোমা হামলার ঘটনা ঘটল। তবে হামলার কারণ ও এর পেছনে কারা জড়িত, তা জানা যায়নি। বিস্ফোরণের কারণে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    আগ্রার বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার প্রভাস কুমার জানান, রেলওয়ে পুলিশ এ জোড়া বিস্ফোরণের তদন্ত শুরু করেছে।

     

    Read more »
  • ট্রাম্পের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আবারও আটকে দিলেন বিচারক

    কার্যকর হওয়ার মাত্র কয়েক ঘন্টা আগে আবারও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের নতুন করে দেয়া ৬ টি মুসলিম দেশের বিরুদ্ধে আরোপিত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আটকে দিয়েছেন একজন বিচারক। বুধবার দিবাগত রাত ১২টার পর অর্থাৎ আজ ১৬ই মার্চ থেকে ওই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই হাওয়াই রাজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ডিস্ট্রিক্ট জজ ডেরিক ওয়াটসন তা আটকে দেন। তিনি বলেন, সরকার দাবি করছে এই নিষেধাজ্ঞার কারণ হলো জাতীয় নিরাপত্তা। এ বিষয়ে সরকার প্রশ্নবিদ্ধ প্রমাণ উত্থাপন করেছে। জবাবে ট্রাম্প বলেছেন, এ রায় টেরিবল বা ভয়াবহ। তিনি এর বিরুদ্ধে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ঘোষণা করেছেন। এ খবর দিয়েছে সিএনএন ও অনলাইন বিবিসি। প্রথম দফায় ট্রাম্প ২৭শে জানুয়ারি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ৭টি মুসলিম দেশের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দেন। আদালত তা ব্লক কয়ে দেয়। এরপর নতুন করে কয়েকদিন আগে তিনি আরও একটি ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দেন।

    Read more »
  • বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর বিবস্ত্র ছবি, ফেসবুক কর্তৃপক্ষের হুঁশিয়ারি

    ফেসবুক কর্তৃপক্ষের ওপর ভীষণ চটেছেন প্লাইমাউথ ইউনিভার্সিটির ছাত্রী এমা ডাইসন (১৯)। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে তিনি নগ্ন পোজ দিয়ে ছবি তুলেছিলেন এবং তা ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন। এ জন্য ছবিগুলো প্রত্যাহার করে তাকে নোটিশ পাঠিয়েছে ফেসবুক। তাতে এমার ফেসবুক একাউন্ট বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দেয়া হয়েছে। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন দ্য মিরর। এতে বলা হয়েছে, এমা ডাইসনের বাড়ি অক্সফোর্ডশায়ারের ফ্রিটওয়েলে। তিনি নারীর ক্ষমতায়ন ও শক্তি প্রকাশ করার জন্য একেবারে বিবস্ত্র হয়ে ছবি তোলেন। তবে স্পর্শকাতর এলাকাগুলো কার্ডবোর্ড দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়। এই কার্ডবোর্ডে লেখা ছিল ট্রাম্প বিরোধী স্লোগান। এমার দাবি, তার এমন ছবি ফেসবুক কর্তৃপক্ষের নগ্নতা বিরোধী নীতির কোনোভাবেই লঙ্ঘন নয়। তিনি ওই ছবি ফেসবুকে পোস্ট করার পর পরই তা অসংখ্য শেয়ার হতে থাকে। কিন্তু তখনই ফেসবুক তাকে জানায়, তিনি নারীদের নগ্নতা ছড়িয়ে দিচ্ছেন। তাই তার ফেসবুক একাউন্ট বন্ধ করে দেয়া হতে পারে। জবাবে এমা বলেন, গত সপ্তাহে আমি পোজ দিয়ে ওইসব ছবির ফটোশুট করি। ফেলে দেয়া কার্ডবোর্ডের ওপর লিখে নিই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের যৌনতা সম্বলিত বিভিন্ন উক্তির অংশ। তারপর তা এমনভাবে ধরে রাখি যাতে আমার মাঝে নগ্নতার প্রকাশ না পায়। এতে শুধু শরীরই দেখা যায়। স্পর্শকাতর কোনো অঙ্গের প্রকাশ পায় না। ফেসবুকে আমি এমন তিনটি ছবি পোস্ট করেছিলাম। তা সঙ্গে সঙ্গে শেয়ার হওয়াতে আমি খুব উচ্ছ্বসিত হয়েছি। ছবিগুলো পোস্ট করার পরের দিনই ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ম্যাসেজের মাধ্যমে আমাকে একটি নোটিশ দেয়। তাতে বলা হয়, আমার ছবিগুলোতে নগ্নতা ফুটে উঠেছে। তাই তারা এগুলো প্রত্যাহার করছে। এমা বলেন, আমার কোনো ছবিই নগ্নতা ফুটিয়ে তোলে না। কারণ, আমি তো স্পর্শকাতর অঙ্গগুলো ঢেকে রেখেছি। ফেসবুকের এমন সিদ্ধান্তে আমি ক্ষুব্ধ।

    Read more »
  • সেলফি জন্য নারীর কানে আটকা পড়েছিল অজগর সাপ

    যুক্তরাষ্ট্রের অরেগন প্রদেশের ঘটনা, এক নারীর কানের ছিদ্র যেটাতে সাধারণত দুল পড়া হয় সেই ছিদ্রতে আটকে গিয়েছিল তার পোষা অজগর সাপ।

    অ্যাশলে গ্লো নামের ওই নারী হাসপাতালে বসেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবি পোস্ট করেছিল এবং ইন্টারনেটে ওই ছবিটি ভাইরাল হয়ে পড়ে যুক্তরাষ্ট্রে।

    ছবিতে দেখা যায়, অ্যাশলের কানের ছিদ্র থেকে ঝুলছে একটা ছোট অজগর সাপ।

    এই ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে অ্যাশলে লিখেছে, শখের বশেই বাড়িতে অজগর সাপটি পুষেছিল সে। তাকে সে বার্ট বলে ডাকতো। একদিন সে অজগরটিকে গলায় পেঁচিয়ে সেলফি তুলবে। কিন্তু গলার কাছে নিতেই অ্যাশলের কানের ছিদ্র যেটাতে কানের দুল পড়া হয়, তার ভেতরে মাথা ঢুকিয়ে দেয় বার্ট নামের ছোট অজগরটি।

    এরপর কানের লতার ওই ছিদ্রের ভেতর দিয়ে নিজের শরীরের অর্ধেক পর্যন্ত গিয়ে মোটা পেটের কারণে আটকে যায় সাপটি। অনেকবার টানাটানি করেও অজগরটিকে করতে ব্যর্থ হয় অ্যাশলে।

    অ্যাশলে লিখেছে "এটা এত দ্রুত ঘটলো, আমি কিছু বুঝার আগেই...। অজগরের জন্য খারাপ লাগছিল"।

    অজগর কানে থাকা অবস্থাতেই অ্যাশলে হাসপাতালে যায়। অপারেশন করে মুক্ত করা হয় অজগরকে।

    অনলাইনে অ্যাশলে লিখেছে "ডাক্তাররা আমার কান অবশ করে অজগরটিকে বের করে। আমার কানও কাটা পড়েনি। ধন্যবাদ ঈশ্বর"।

    Read more »
  • বিড়াল বের করল মাটিচাপা শিশুর লাশ!

    একটি বিড়াল কিছু একটা খাচ্ছিল। তা দেখে মনে হচ্ছিল, কোনো শিশুর শরীরে অংশ! সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মাটিচাপা শিশুর লাশ উদ্ধার করে।

     

     

    ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মুম্বাই শহরের অদূরে ভ্যায়ান্ডার এলাকায়। চার বছরের ওই শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মাটিচাপা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে চতুর্থ আসামি এখনো নিখোঁজ।

    পুলিশ জানায়, আসামিরা চকলেট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে শিশুটিকে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে ধর্ষণের পর তাকে হত্যা করে মাটি চাপা দিয়ে পাশের একটি রেস্তোরাঁয় গিয়ে মাছ দিয়ে ভাত খায় আসামিরা।

    ওই শিশুর টেম্পো চালক বাবা জানিয়েছেন, ৯ জানুয়ারি আজাদনগরে বাড়ির বাইরে খেলা করার সময় শিশুটি নিখোঁজ হয়। দুই দিন পর শিশুটির মাটিচাপা লাশ উদ্ধার করা হয়।

    স্থানীয় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মহেশ পাতিল জানান, ‘১২ জানুয়ারি সন্ধ্যায় আমরা খবর পাই একটি বিড়াল কিছু একটা খাচ্ছে—যা দেখতে শিশুর দেহ বলে মনে হয়। ঘটনাস্থলে শিশুটির দুই পা দেখা যাচ্ছিল। পরে তদন্ত করে দেখা যায়—সেখানে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে চার বছর বয়সী একটি শিশুর মরদেহ।’

    পুলিশ জানায়, শিশুটিকে বাড়ি থেকে ২০০ মিটার দূরে একটি বন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অন্তত একজনের মাধ্যমে শিশুটি যৌন নির্যাতনের শিকার হয়। পরে তার মাথায় আঘাত করা হয়। এতে সে মারা গেলে তাকে মাটি চাপা দেওয়া হয়। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনেও শিশুটির ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাথায় আঘাতের কারণেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।

    গ্রেপ্তার হওয়া তিনজন স্বীকার করেছে, শিশুটিকে হত্যা করে মাটিচাপা দেওয়ার পর তারা একটি রেস্তোরাঁয় গিয়ে ভাত-মাছ খায়।

    পুলিশের ধারণা, যে ব্যক্তি প্রধান আসামি, ওই শিশু ও তার পরিবারের সঙ্গে তার ভালো পরিচয় ছিল।

    সূত্র: এনডিটিভি।

    Read more »
RSS