starbangla.tv l tv channel l News & Program
Welcome
Login / Register

ইসলাম


  • শনিবার দিবাগত রাতে পবিত্র শবে কদর

    আগামী ২ জুলাই শনিবার দিবাগত রাতে পবিত্র শবে কদর। এই রাত হাজার রাতের চেয়েও পূণ্যময় রাত। শনিবার দিবাগত রাতে সারা দেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে পবিত্র শবে কদর উদযাপিত হবে। বৃহস্পতিবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা বলা হয়।
     
    পবিত্র শবে কদর উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে শনিবার দুপুর দুইটায় (বাদ জোহর) ‘পবিত্র শবেকদরের গুরুত্ব ও তাত্পর্য’ শিরোনামে ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। ওয়াজ করবেন ঢাকার মদীনাতুল উলুম কালিম মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা মুহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক।
     
    এছাড়া একই দিনে তারাবীহ নামাজের পর রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে ‘পবিত্র শবেকদরের ফজিলত ও করণীয়’ শিরোনামে ওয়াজ, মিলাদ, কিয়াম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।
    ওয়াজ করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান।-বাসস।

    Read more »
  • শিশুর রোজা রাখার বয়স কত?

    ডেক্স:

    পবিত্র রমজানে বেশির ভাগ মুসলিম মা-বাবা তার ছোট্ট শিশুকে রোজা রাখতে উৎসাহিত করেন। তবে অনেকে মনে করেন, রোজা রাখার জন্য এমন শিশুর অনেকের বয়স অনেক কম। কিন্তু একটি শিশুর কত বছর বয়স থেকে রোজা রাখা উচিত? এ বিষয়ে আল রিয়াদ পত্রিকা শিক্ষক, সমাজবিজ্ঞানী ও মনোবিজ্ঞানীদের বেশ কয়েকজনের সাক্ষাৎকার নিয়েছে। এ থেকে তারা জানার চেষ্টা করেছে কোন বয়স থেকে একটি শিশুর রোজা রাখা উচিত। এ খবর দিয়েছে অনলাইন সৌদি গেজেট।  কম বয়সের শিশুকে রোজা রাখেন যেসব পিতামাতা তাদেরকে সমর্থন করেন নজরানা ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আল মাহিষি। তিনি বলেন, অল্প বয়সে একটি শিশুকে রোজা রাখা হলে তা তার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এতে তাদের লক্ষ্য স্থির হয়। শক্তি বাড়ে। তবে শিশুদের জোর করে রোজা রাখানো উচিত নয় বলে তিনি মত দেন। তিনি বলেন, এর পরিবর্তে পিতামাতা তার সন্তানকে রোজা রাখার উপকারিতা সম্পর্কে বুঝাতে পারেন। তারপর তাদেরকে তাদের সিদ্ধান্ত নিতে দেবেন। মনোবিজ্ঞানী লুবনা ইসমাইল বলেন, একটি শিশুকে রোজা রাখায় উদ্বুদ্ধ করার শ্রেষ্ঠ সময় হলো তার বয়স যখন সাত বছর। ১০ বছর হলো আদর্শ সময়। তার আগে শিশুকে প্রশিক্ষণ দেয়া উচিত। তিনি আরো বলেন, যদি কোন শিশু রোজা রাখতে অস্বীকৃতি জানায় তাহলে তাকে প্রহার করা অন্যায়। কারণ, তাহলে ওই সন্তান সূর্যাস্তের আগে পিতামাতার অজ্ঞাতে কিছু খেয়ে নিতে পারে। বড় হয়ে তারা এই চর্চা চালিয়ে যেতে পারে। এ নিয়ে শিশুর সঙ্গে দিনের কয়েক ঘণ্টা পরামর্শ করা যেতে পারে। সমাজবিজ্ঞানের প্রফেসর মুহাম্মদ আল ওয়াবিলও এমন যুক্তি দেখান। তিনিও বলেন, শিশুদের রোজা রাখা শুরু করা উচিত ৭ বছর বয়স থেকেই।

    Read more »
  • ফিতরা সর্বনিম্ন ৬৫ টাকা

    গম বা আটার বাজারদর হিসাব করে এবার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ৬৫ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১৬৫০ টাকা নির্ধারণ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

    বুধবার সকালে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে ফিতরা নির্ধারণী সভায় এই হার নির্ধারণ করা হয়। স্থানীয় পণ্য- আটা, খেজুর, কিসমিস, পনির ও যবের বর্তমান বাজার মূল্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে এই ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    সভা শেষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক আবদুস সালাম এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।

    তিনি জানান, সভায় সিদ্ধান্ত হয়, গম বা আটা, খেজুর, কিশমিশ, পনির অথবা যব দিয়েও ফিতরা দেয়া যাবে। গম বা আটা দিয়ে ফিতরা আদায় করলে এক কেজি ৬৫০ গ্রাম অথবা এর বর্তমান বাজারমূল্য ৬৫ টাকা আদায় করতে হবে। খেজুর দিয়ে আদায় করলে তিন কেজি ৩০০ গ্রাম অথবা এর বাজারমূল্য ১৬৫০ টাকা আদায় করতে হবে।

    ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী, প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের জন্য ফিতরা আদায় করা ওয়াজিব। নাবালক ছেলেমেয়ের পক্ষ থেকে তার বাবাকে এই ফিতরা দিতে হয়। সভায় ফিতরা নির্ধারণী কমিটির সদস্য ও বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।

    Read more »
  • রোজার ইতিহাস

    রোজা আল্লাহর ফরজ একটি বিধান। এই রোজার মাসেই আল্লাহ কুরআন নাযিল করেছেন। আল্লাহপাক পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেছেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরয করে দেয়া হয়েছে যেমন তোমাদের পূর্ববর্তী নবীদের অনুসারীদের ওপর ফরয করা হয়েছিল। এ থেকে আশা করা যায়, তোমাদের মধ্যে তাকওয়ার গুণাবলী সৃষ্টি হবে। -(বাকারা:১৩৮)
    ইসলামের অন্যান্য বিধানের মতো রোজাও পর্যায়ক্রমে ফরয হয়। শুরুতে নবী (সা.) মুসলমানদেরকে মাত্র প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এ রোজা ফরয ছিল না। তারপর দ্বিতীয় হিজরীতে রমজান মাসের রোজার এই বিধান কুরআনে নাযিল হয়। তবে এতে এতটুকুন সুযোগ দেয়া হয়, রোজার কষ্ট বরদাশত করার শক্তি থাকা সত্ত্বেও যারা রোজা রাখবেন না তারা প্রত্যেক রোজার বদলে একজন মিসকিনকে আহার করাবে। পরে দ্বিতীয় বিধানটি নাযিল হয়। এতে পূর্ব প্রদত্ত সাধারণ সুযোগ বাতিল করে দেয়া হয়। কিন্তু রোগী, মুসাফির, গর্ভবতী মহিলা এবং রোজা রাখার ক্ষমতা নেই এমন সব বৃদ্ধদের জন্য এ সুযোগটি আগের মতোই বহাল রাখা হয়। পরে তাদের অক্ষমতা দূর হয়ে গেলে রমজানের যে ক’টি রোজা তাদের বাদ গেছে সে ক’টি পূরণ করে দেয়ার জন্য তাদের নির্দেশ দেয়া হয়।

    Read more »
  • যেসব কারণে রোজা ভাঙ্গে না

    রোজা একটি ফরজ ইবাদত। ইচ্ছাকৃত তা ভেঙ্গে ফেলা বা না রাখার সুযোগ নেই। ইচ্ছাকৃত তা ভেঙ্গে ফেলা কবিরা গুনাহ। রাজা ভেঙ্গে যাওয়ার কিছু সুনির্দিষ্ট কারণ রয়েছে। তবে এমন কিছু বিষয়ও রয়েছে যেসব কারণে রোজা ভাঙ্গে না।
    অনিচ্ছাকৃত গলার ভেতর ধুলা-বালি, ধোঁয়া অথবা মশা-মাছি প্রবেশ করা।
    অনিচ্ছাকৃত কানে পানি প্রবেশ করা।
    অনিচ্ছাকৃত বমি আসা অথবা ইচ্ছাকৃত অল্প পরিমাণ বমি করা (মুখ ভরে নয়)।
    বমি আসার পর নিজে নিজেই ফিরে যাওয়া।
    চোখে ওষুধ বা সুরমা ব্যবহার করা।
    ইনজেকশন নেয়া।
    ভুলক্রমে পানাহার করা।
    সুগন্ধি ব্যবহার করা বা অন্য কিছুর ঘ্রাণ নেয়া।
    নিজ মুখের থুথু, কফ ইত্যাদি গলাধঃকরণ করা।
    শরীর ও মাথায় তেল ব্যবহার করা।
    ঠা-ার জন্য গোসল করা।
    দিনের বেলায় ঘুমের মধ্যে স্বপ্নদোষ হওয়া।
    মিসওয়াক করা। যদিও মিসওয়াক করার দরুন দাঁত থেকে রক্ত বের হয়। তবে শর্ত হলো গলার ভেতর না পৌঁছানো।
    ভুলে পানাহার করলে।
    ঘুমের মাঝে স্বপ্নদোষ হলে।
    স্ত্রীলোকের দিকে তাকানোর কারণে বীর্যপাত হলে।
    স্ত্রীকে চুম্বন করলে, যদি বীর্যপাত না হয় (রোজা না ভাঙলেও এটা রোজার উদ্দেশ্যের পরিপন্থী)।
    দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকা গোশত খেয়ে ফেললে (যদি পরিমাণে কম হয়), পরিমাণ বেশি হলে রোজা ভেঙে যাবে। ( সূত্র : বেহেশতি জেওর, হেদায়া)

    Read more »
RSS