starbangla.tv l tv channel l News & Program
Welcome
Login / Register

জাতীয়


  • প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর শিখা অনির্বাণে শ্রদ্ধা

    সশস্ত্র বাহিনী দিবসে শিখা অনির্বাণে ফুল দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার সকালে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা সেনানিবাসে পৌঁছলে তাকে স্বাগত জানান তিন বাহিনীর প্রধান ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার। আবদুল হামিদ শিখা অনির্বাণে ফুল দিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল এসময় অভিবাদন জানায়। পরে রাষ্ট্রপতি শিখা অনির্বাণ চত্বরে রাখা পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। প্রেসিডেন্টের পর সরকার প্রধান ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখ হাসিনা শিখা অনির্বাণে ফুল দিয়ে শহীদ সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এসময়, সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অফ অনার দেয়। পরে প্রধানমন্ত্রী পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর পর সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ ও বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল আবু এসরার নিজ নিজ বাহিনীর পক্ষ থেকে শিখা অনির্বাণে ফুল দেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যরা সম্মিলিতভাবে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সমন্বিত আক্রমণের সূচনা করে।

    Read more »
  • দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

    জলবায়ু সম্মেলনে যোগদান শেষে মরক্কো থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ৮টায় প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইট ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। এর আগে মরক্কোর স্থানীয় সময় বুধবার বিকাল সোয়া ৩টায় (বাংলাদেশ সময় রাত সোয়া ৯টা) মারাকেসের মিনারা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হন তিনি।
    বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনের (কপ ২২) উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে সোমবার মারাকেস পৌঁছান শেখ হাসিনা। বাংলাদেশসহ ৮০টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধান এবং ১১৫টি দেশের সিনিয়র মন্ত্রীরা এতে যোগদান করেন। শেখ হাসিনা মঙ্গলবার রাতে সম্মেলনে তার দেওয়া ভাষণে জলবায়ুর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশের গৃহীত পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন। তিনি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জলবায়ুজনিত অভিবাসন সমস্যা সমাধানে বৈশ্বিক উদ্যোগের আহ্বান জানান।
    প্রধানমন্ত্রীর ৫৮ সদস্যের সফরসঙ্গী দলে অন্যদের মধ্যে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, পানিসম্পদমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, বন ও পরিবেশ উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব প্রমুখ।

    Read more »
  • যেভাবে বুঝবেন গ্যাস লাইনে ছিদ্র !

    বাংলাদেশের অধিকাংশ এলাকায় এখন এলপিজি বা সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহার করে রান্নার কাজ করে থাকে। কিন্তু একটু অসাবধান হলেই ঘটতে পারে নানা দুর্ঘটনা। তাই ক্ষতির হাত থেকে বাঁচতে গ্যাস পাইপ লিক ও এই সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ আগেই জেনে নেয়া উচিত। গ্যাস পাইপ লিক হলে কিভাবে বুঝবেন ? গ্যাস পাইপ লিক হলে বোঝার একমাত্র উপায় হলো গ্যাসের গন্ধ। গ্যাস পাইপের যেখানে লিক হয় তার আশেপাশে গ্যাসের গন্ধ ছড়িয়ে যাবে। কোন অংশ লিক হলেই এই বাজে গন্ধ দ্রুত আশেপাশে ছড়িয়ে পড়ে। এই গন্ধ পেলে বুঝতে হবে গ্যাস পাইপ লিক হয়েছে। তাই এমন উৎকট গন্ধ পেলেই সাবধান হয়ে যেতে হবে। গ্যাস পাইপ লিক হলে কী করবেন গ্যাস পাইপ লিক হলে প্রথমে যে জায়গাটায় লিক হয়েছে সেই জায়গাটি খুঁজে বের করতে হবে। খুঁজে পাওয়ার পরে সেখানে স্কচটেপ লাগিয়ে স্থানীয় গ্যাস সেবা প্রদানকারী সংস্থাকে খবর দিতে হবে। ভালোভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে যেন গ্যাস পাইপ লিক হওয়া স্থানের আশেপাশে কেউ আগুন না জ্বালায় বা দাহ্য জাতীয় পদার্থ আশেপাশে না রাখে (বিশেষ করে শুকনো কাঠ, পেট্রোলিয়াম জাতীয় পদার্থ ইত্যাদি)। দাহ্য জাতীয় পদার্থ আশেপাশে থাকলে তা সরিয়ে ফেলতে হবে। পাশাপাশি বাসার বিদ্যুৎ লাইনের মেইন সুইচ বন্ধ করে দিতে হবে। বাসার সকল দরজা, জানালা খুলে দিন যাতে বাতাস যাতায়াত করতে পারে। সিলিন্ডারের রেগুলেটর বন্ধ করে সেফটি ক্যাপ লাগিয়ে ফেলুন। কীভাবে আগুন নেভাবেন? যদি সিলিন্ডারে আগুন লাগে তবে আতঙ্কিত না হয়ে নেভানোর জন্য চেষ্টা করতে হবে। প্রথমে দ্রুত একটি সুতি কাপড় (লুঙ্গি জাতীয় কাপড়) দিয়ে পুরো সিলিন্ডারটি ঢেকে দিন। আগুন হাতে কিংবা শরীরে লাগবে না। তারপর দ্রুত রেগুলেটর ঘুরিয়ে সিলিন্ডারটি বন্ধ করে ফেলুন। দেখবেন আগুন নিভে যাবে। গ্যাস সংক্রান্ত অভিযোগ নম্বর জরুরি অবস্থায় গ্যাস পেতে বা প্রাকৃতিক গ্যাস জড়িত কোন দুর্ঘটনা বা বিপত্তির জন্য তিতাস গ্যাসের সঙ্গে যোগাযোগ করুন নিম্নলিখিত নম্বরগুলোতেঃ  মতিঝিল —৯৫৬৩৬৬৭, ৯৫৬৩৬৬৮ (২৪ ঘণ্টা); মিরপুর—৯০১৪২৯১ (সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা) গুলশান—৯৮৯১০৫৪ (২৪ ঘণ্টা)। এ ছাড়া তিতাস গ্যাসের হটলাইন নম্বরেও যোগাযোগ করা যেতে পারে। নম্বরটি হলো: ০২-৯১০৩৯৬০।

    Read more »
  • বাংলাদেশি দুই টাকা দিয়ে ভারতীয়রা কী করে?

    যশোরের বেনাপোল বন্দরে এই মাসেই দুই দফায় দুই টাকার নোটের বড় চালান সহ দুজন ভারতীয় নাগরিককে আটক করে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি।

    মাসের শুরুর দিকে উদ্ধার করা হয় ২৬ হাজার ২ টাকার নোট । যার মোট অর্থমূল্য ৫২ হাজার টাকা।

    এরপর এক সপ্তাহের ব্যবধানে আবার জব্দ করা হয় দুই টাকার নোটের আরো বড় চালান, যার মোট মূল্য ৮২ হাজার টাকার বেশি। এ ঘটনায় দুইজন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়।

    মাদক সেবীদের অনেকের কাছে নেশাদ্রব্য গ্রহণের জন্য নতুন দুই নোট খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বলে জানা যাচ্ছে।

    বেনাপোল বন্দর থানার ওসি অপূর্ব হাসান বিবিসি বাংলাকে বলেন, "এগুলো ইন্ডিয়ায় নিয়ে যাচ্ছিল। সেখানে এসব সেখানে হেরোইন বা ইয়াবা সেবনের জন্য ব্যবহার করা হতে পারে"। আটকদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ বলছে, এসব নোটের মাধ্যমে পাইপ তৈরি করে হেরোইন ও ইয়াবা গ্রহণ করে মাদকাসক্তরা। সিগারেটের প্যাকেটের ভিতরে থাকা রাংতাও একাজে ব্যবহার করা হয়। তবে এখন অনেকের কাছেই আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে বাংলাদেশের নতুন দুই টাকার নতুন নোট ।

    ফলে সীমান্তের চোরাইপথ এবং আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে পাচারের চেষ্টা দেখা যাচ্ছে বারবার। ভারতের বাজারে এই দুই টাকাই প্রতিটি ৫ রূপি পর্যন্ত মূল্যে বিক্রি করা হয়ে থাকে বলে জানা গেছে।

    নতুন দুই টাকার নোটের একদিকে শহীদ মিনারের ছবি । অন্যপাশে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবর রহমানের মুখাবয়ব। আর পুরনো নোটের একদিকে দোয়েল পাখির ছবি রয়েছে।

    তিন মাস আগে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিপুল পরিমাণে দুই টাকার নোট চীনে পাচারের চেষ্টার সময় জব্দ করা হয়েছিল।

    সুত্রঃ বিবিসি

    Read more »
  • জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধ সহযোগিতা প্রয়োজন

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনে বর্তমান হুমকির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধ সহযোগিতার হাত প্রসারিত করতে হবে। গতকাল মঙ্গলবার মরক্কোর স্থানীয় সময় রাত সোয়া দশটায় (বাংলাদেশের সময় রাত সোয়া চারটা) মারাকাশ জলবায়ু সম্মেলনের হাইলেভেল সেগমেন্টে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি সকালে উচ্চ পর্যায়ের আলোচনা সভার উদ্বোধনী অধিবেশনে অংশ নেন। উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রবেশের আগে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত রূপরেখা সনদের (ইউএনএফসিসিসি) নির্বাহী সচিব পেট্রিসিয়া এপিনোসাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। হাই লেভেল সেগমেন্টে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই দুর্লভ মুহুর্তে আসুন আমরা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করি। ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য গড়ে তুলি নিরাপদ বাসযোগ্য পৃথিবী। সবাই সমান দায়িত্ব নিয়ে গড়ে তুলি আমারেও প্রতিশ্রুত এক সুন্দর পৃথিবী।
    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ভাষণে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অভিবাসনের ইস্যুর ব্যাপারে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বলেন, জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অভিবাসনের চ্যালেঞ্জটি সঠিকভাবে মোকাবেলা করা না হলে আমরা কখনই টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জন করতে সামর্থ হবো না।
    বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরাপদ খাবার পানি স্যানিটেশনের বিষয়ে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বলেন, আমাদের অবশ্যই নিরাপদ খাবার পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। আসুন আমরা পানি বিষয়ে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে একটি বৈশ্বিক তহবিল গঠন করি। এই তহবিলের অর্থ পানি বিষয়ে উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের কাজে ব্যবহার করা হবে। এসময় প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের পানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে পানি বিষয়ে জাতিসংঘের অ্যাকশন প্ল্যানের প্রতি তার সরকারের প্রতিশ্রুতি পুর্নব্যক্ত করেন।
    দুপুরে প্ল্যানারি অধিবেশনের উদ্বোধনের পর সন্ধ্যা সাড়ে ছ’টায় শুরু হয় সম্মেলনের হাই লেভেল সেগমেন্ট। এই সেগমেন্টে একে একে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র প্রধান, সরকার প্রধান ও মন্ত্রীরা বক্তব্য রাখেন। গভীর রাত পর্যন্ত এই বক্তব্য চলতে থাকে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৪৯ তম বক্তা হিসেবে বাংলাদেশ সময় গভীর রাতে মঞ্চে বক্তব্য দিতে উঠেন। এ সময় তিনি বলেন, এবারের সম্মেলন আমাদের জন্য বিশেষ গুরুত্ত্ব বহন করছে। আমরা এ বছর ঐতিহাসিক প্যারিস চুক্তির কার্যকর উদযাপন করছি। গত বছর আমরা প্যারিসে সফলভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় একটি অর্থবহ ভীত তৈরি করতে সমর্থ হয়েছি। এখন সময় আমাদের এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে নেওয়া।
    প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে আমাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা না হলে লাখ লাখ মানুষের জীবন এবং জীবিকা ঝুঁকির মধ্যে থাকবে। বাংলাদেশ হচ্ছে প্যারিস চুক্তি অনুমোদনকারী প্রথম দেশগুলোর একটি। এছাড়া আমরাই প্রথম জলবায়ু পরির্বতনে নিজস্ব অর্থে ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করেছি। এ পর্যন্ত আমরা এই তহবিলের নিজস্ব সম্পদ থেকে ৪০ কোটি ডলার বরাদ্দ দিয়েছি। বন্যা ও ঘুর্ণঝড়ের মত উচ্চমাত্রার ঝুঁকি সত্ত্বেও আমরা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সাফল্য অর্জন করেছি। এ সাফল্যের মধ্যে রয়েছে আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা, ঘুর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ এবং নদী শাসনের মত কার্যক্রম গ্রহণ। যা ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় গুরুত্ত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

    Read more »
RSS
উপদেষ্টা : এডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন
কৃষিবিদ এম. সগিরুল ইসলাম মজুমদার ( জাপান)
প্রধান সস্পাদক: ডা: এম এ মতিন,
সম্পাদক: মো: জিয়াউল ইসলাম
সহ-সম্পাদক: নেছার উদ্দিন মজুমদার
অফিস: ৩৫ পুরানা পল্টন লাইন নীচতলা, ভি আই পি রোড ঢাকা-১০০০
ফোন: ০১৭২৭৯৩২৬৫২, ৯৩৫৪৯৯
জাপান ডেক্স +৮১৯০৬৮৬৩৪৭৩৩২
ইমেইল: videostarbanglatv@gmail.com